ক্রিকেটে দৃশ্যটা পরিচিত। বল করার আগে রোদ চশমা আর টুপি খুলছেন বেশিরভাগ বোলার।সোয়েটারও খুলে থাকেন অনেকে। এসব কিছু আম্পায়ারের কাছে গছিয়ে দেন তারা। ফেরত নেন ওভার শেষে। তবে করোনা-কাল শেষে হয়তো এমন দৃশ্য আর দেখা যাবে না। বোলারের সোয়েটার, টুপি ও রোদচশমা নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন মাঠের আম্পায়ার।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচার সতর্কতা হিসেবে কর্মকর্তারা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসিবি আম্পায়ারদের ব্যবস্থাপক ক্রিস কেলির কাছে। করোনা মহামারি শেষে ক্রিকেট মাঠে ফিরলে তাই পরিচিত এই দৃশ্যটা পাল্টে যেতে পারে। মাঠের বাইরে সীমানার ওপাশে এসব রেখে বল করতে দেখা যেতে পারে তাদের।
তবে মাঠের বল তো ঠিকই ধরতে হবে আম্পায়ারদের। টি-টোয়েন্টিতে ছক্কার পর বল দেখতে হয় তাদের। বলের আকৃতি ঠিক আছে কি না তা দেখতে হয় প্রথম শ্রেণির ম্যাচে। ছক্কা গ্যালারিতে পড়লে বল দর্শকদের সংস্পর্শেও আসে। সে ক্ষেত্রে আম্পায়াররা হাতে দস্তানা পরবেন কি না সে সিদ্ধান্ত তাদের ওপরই ছেড়ে দেওয়া হবে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) আম্পায়ারদের ম্যানেজার ক্রিস কেলির সঙ্গে যোগাযোগ করে এ খবরই জানিয়েছে মেইল অনলাইন।
ইসিবি এখন পর্যন্ত শুধু ব্যাটসম্যান ও তাদের খুব কাছের ফিল্ডারদের জন্য হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক করেছে। ২০১৬ সালে এ নিয়ে নীতিমালা প্রস্তুত করে তারা। আম্পায়ারদের ক্ষেত্রেও এমন কিছু করতে হবে বলে মনে করছে সংবাদমাধ্যমটি। বলে লালা মাখানো নিয়েও এর আগে কথা তুলেছিলেন দুই পেসার ভুবনেশ্বর কুমার ও জস হ্যাজলউড। সংক্রমণ রুখতে করোনা পরবর্তী সময়ে বলে লালা মাখানো যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দুই ক্রিকেটার।
মেইল অনলাইন জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের আইন প্রণেতা সংস্থা এমসিসির নয় বরং বোর্ডের এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব।
মেইল অনলাইন জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের আইন প্রণেতা সংস্থা এমসিসির নয় বরং বোর্ডের এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব।

(0) Comments
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন